বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন

News Headline :
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা পাবনায় নবাগত জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের দৃঢ় অঙ্গীকার: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, গড়বেন মডেল শহর র‌্যাবের অভিযানে বিদেশী রিভলভার ও গুলিসহ গ্রেফতার ১ যুক্তরাষ্ট্র স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব পরিত্যাগ করলেই দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা সম্ভব: পেজেশকিয়ান বদলগাছীতে খাল পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল তরুণ প্রজন্মকে বিসিএস নামক ‘অসুখ’ থেকে বের হতে হবে: ডা. জাহেদ রামেক হাসপাতালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেট অপসারণের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন ভাঙ্গুড়ায় মাদকদ্রব্য ও অর্থ সহ ২ জন ‘ব্যবসায়ী কে আটক  ভাঙ্গুড়ায় বাঁশবাড়িয়া সাবমারসিবল সড়কের বেহাল দশা, ব্রিজ আছে কিন্তু রাস্তা নেই- জনদুর্ভোগ চরমে পাবনা সদর হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৯জন রোগী ভর্তি রয়েছে

কাজীর কান্ড! কাবিননামার জন্য ৩০ হাজার টাকা দাবি অভিযোগ দায়ের

Reading Time: < 1 minute

রাবিউল হক, লালমনিরহাট
লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) আমিনুর রহমান ও তার ছোটভাইয়ের বিরুদ্ধে কাবিননামা উত্তোলনের জন্য ৩০ হাজার টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (১০ মে) লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক বরাবর এমন অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী গৃহবধু আফরোজা বেগম।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬/৯/২০১৯ইং তারিখ লালমনিরহাট সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ গ্রামের জহুদ্দীর ছেলে সুলতান মিয়ার সহিত আড়াই লাখ টাকা দেনমোহর ধার্যে পার্শ্ববর্তী আদিতমারী উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের আব্দুর রহিমের মেয়ে আফরোজা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ে নিবন্ধন করেন- খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) আমিনুর রহমানের ছোটভাই লুৎফর রহমান। বিয়ের পর তাদের কোলজুড়ে আসে একটি পুত্র সন্তান। যার বর্তমান বয়স ১৪ মাস।
ঘর-সংসার চলাকালীন স্বামী ও শ্বশুড়বাড়ির লোকজন প্রায় সময় আফরোজাকে বাবার বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা আনার জন্য চাপ দেয়। তাতে রাজী না হলে চালানো হয় শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন। সর্বশেষ, ১৩/৪/২০২২ইং তারিখ পুনরায় আফরোজাকে তার পিত্রালয় থেক পঞ্চাশ হাজার টাকা আনার জন্য বলে। এতে রাজি না হওয়ায় সন্তানকে রেখে তাকে এলোপাতাড়ি ডাংমার করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।
এ ঘটনায় আফরোজা বেগম লালমনিরহাট সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিয়ের নকল (কাবিননামা) আনতে বলেন। পরে আফরোজার পিতা খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার আমিনুর রহমান ও তার ছোটভাই লুৎফর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তারা নানাভাবে টালবাহনা করেন। একপর্যায়ে তারা জানান, আপনার জামাই বিয়ের নকল না দেওয়ার জন্য ষাট হাজার টাকা খরচ করেছে। আপনাদের নকল লাগলে ত্রিশ হাজার টাকা দিতে হবে এবং একমাস অপেক্ষা করতে হবে।
পরে বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিয়ের নকল (কাবিননামা) প্রদানের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধু আফরোজা বেগম।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবু জাফর বলেন, নিকাহ রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com